আম, জাম ও কাঁঠালের মৌসুম শেষের দিকে। এ সময় মাগুরার বিভিন্ন বাজারে দেখা মিলছে মৌসুমি ফল কাঠ লিচুর। অঞ্চলভেদে এই ফলটি আঁশফল বা পিচফল নামেও পরিচিত।

বর্তমানে মাগুরা সদর, শ্রীপুর, মহম্মদপুর ও শালিখার বিভিন্ন হাট-বাজারে কাঠ লিচু বিক্রি হচ্ছে। দেখতে অনেকটা লিচুর মতো হলেও এর আঁটি বড়। মিষ্টি ও রসালো হওয়ায় শিশু থেকে বড়—সব বয়সের মানুষের কাছেই ফলটি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।


একসময় এই ফলের তেমন চাহিদা ছিল না। কিন্তু এখন বাজারে এর চাহিদা ও দাম বেড়েছে। তাই অনেকেই পুরোনো গাছের পরিচর্যা করছেন, আবার নতুন করেও কাঠ লিচুর গাছ লাগাচ্ছেন। ফল পাকার সময় বাদুড় ও পাখির হাত থেকে রক্ষা করতে অনেকেই গাছে জাল ব্যবহার করছেন।

মহম্মদপুর উপজেলার এক ফল ব্যবসায়ী জানান, লিচুর মৌসুম শেষ হওয়ার পর কাঠ লিচুর বিক্রি বেড়ে যায়। বর্তমানে আকারভেদে প্রতি আঁটি ২০ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এবং আরও প্রায় এক মাস বাজারে এই ফল পাওয়া যাবে।

চিকিৎসকদের মতে, কাঠ লিচুতে ভিটামিন ‘সি’, শর্করা ও বিভিন্ন খনিজ উপাদান রয়েছে। পরিমিত পরিমাণে এই ফল খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়তে সাহায্য করে।

স্থানীয়দের আশা, পরিকল্পিতভাবে চাষ ও বাজারজাত করা গেলে কাঠ লিচু ভবিষ্যতে কৃষকদের জন্য লাভজনক একটি মৌসুমি ফল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।